দীঘিনালায় উপজাতি সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক নারী নিহতের ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

 37 total views,  2 views today

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া এলাকায় গভীর রাতে উপজাতি সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে স্থানীয় আঃ মালেকের স্ত্রী নিহত ও ছেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছে পার্বত্য চট্রগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

১৫ আগষ্ট বিকেলে সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার লোকমান হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্রগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভুঁইয়া ও মহাসচিব মোঃ আলমগীর কবির বলেন, ৮১২ পরিবারের জন্য সরকারের দেওয়া ৫ একর সম্পত্তি উপজাতিরা দখল করে আছে দীর্ঘ ৩ যুগ থেকে এবং তাদেরকে সাহস দিচ্ছে উপজাতি ইউপিডিএফ (প্রসীত) ও জেএসএস (সন্তু) সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। আব্দুল মালেক ছিল এই ভুমিহারা পরিবারের নেতা,সন্ত্রাসীরা মনে করেছে মোঃ আব্দুল মালেককে হত্যা করতে পারলে বাঙ্গালীদের জমি দখল করে রাখতে আর কোন বাধা থাকবেনা এবং ৮১২ পরিবারের পক্ষে আন্দোলন বন্ধ হয়ে যাবে।

এসময় নেতৃবৃন্দ সোনা মিয়া টিলার বাঙ্গালীদের জায়গা দ্রুত বুঝিয়ে দিতে এবং অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবীতে আগামীকাল রবিবার (১৬ আগষ্ট) বেলা ১১ টায় তিন পার্বত্য জেলায় একযোগে মানববন্ধনের ঘোষনা দেন।

এর আগে, ১৫ আগষ্ট শনিবার রাত দেড়টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের বাবুছড়া গুচ্ছগ্রামে আঃ মালেকের বসতবাড়ি লক্ষ্য করে ৩০-৪০ রাউন্ড এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষন করে উপজাতি সন্ত্রাসীরা। এসময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আঃ মালেকের স্ত্রী মোর্শেদা বেগম (৪২) ও তার শিশু পুত্র মোঃ আহাদ (১১) গুলিবিদ্ধ হন। তাদেরকে দ্রুত স্থানীয়দের সহায়তায় রাতেই দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে পুত্র আহাদকে চিকিৎসকরা শঙ্কামুক্ত ঘোষনা করলেও রাত সাড়ে ৩ টার দিকে মোর্শেদা বেগমকে মৃত ঘোষনা করেন।

উল্লেখ্য, নিহত মোর্শেদা বেগমের স্বামী আঃ মালেক দীঘিনালার বাবুছড়া ইউনিয়নের সোনামিয়া টিলায় উপজাতিদের দ্বারা দখলকৃত বাঙ্গালীদের ৮১২ পরিবারের ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি।

Share this:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *